সাতক্ষীরায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল।
র্যালি, বেলুন ও কবুতর ওড়ানো এবং কেক কাটার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর বিকেলে সাতক্ষীরা মাওয়া চাইনিজ রেস্তোরার সামনে আয়োজিত এই সমাবেশে বিএনপি, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, বাকশাল আমলে নির্বাচন হয়েছিল, সেখানে আমরা গণহারে হেরেছিলাম। কিন্তু জেলার বিভিন্ন কলেজের মধ্যে আমরা ৩৩৮ ভোট পেয়ে আমাদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি এবং ৫৪ সদস্যের প্যানেলে ৫৪টিতেই আমরা জয়লাভ করেছি। অন্যদিকে, জামায়াত, শিবির ও তাদের সমর্থিত শিক্ষকরা মাত্র ১২০টি ভোট পেয়েছেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “বন্ধুগণ, আমি যখন প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় ও বক্তৃতায় অংশ নিচ্ছিলাম, তখন কেউ ভোট করতে চাইতেছিল না। তাই আজ আমরা বলতে চাই— আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনগুলোতে যদি আমরা জয়লাভ করতে পারি, তবে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ ৬৮টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে এবং সদস্য পদে এই যুবদল, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতৃত্বেই আমরা কি সাতক্ষীরার ৬৮টি ইউনিয়নে বিজয় আনতে পারব?”
এ সময় তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা কি যুবকদের হাত তুলে সমর্থন করবেন? সবাই হাত তুলে একটু জোরে করতালি দিয়ে যুবদলের পক্ষে আপনাদের সমর্থন জানান। আপনারা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভোটের আগে যা অতীতে করেছেন, এখন আর তা করবেন না।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাবেক প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মো. আবদুল রউফ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদি, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ফারুক এবং পৌর কাউন্সিলর মাসুম বিল্লাহ শাহীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কেক কাটা, বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদ্যাপন করেন নেতৃবৃন্দ।