অনলাইন ডেস্ক: পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৩ অগস্ট ১৬ বছর ৭ মাস বয়সি এক কিশোরীকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হুগলির তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে এক সন্তানের জন্ম দেয় সে। হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার বিষয়টি জানার পর তারকেশ্বর থানার পুলিশকে অবহিত করেন। কিশোরীর সন্তান প্রসবের ঘটনায় গ্রেফতার ‘স্বামী’। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের ঘটনা। ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত স্বীকার করেছেন যে, তিনি নাবালিকাকে বিয়ে করেছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৩ অগস্ট ১৬ বছর ৭ মাস বয়সি এক কিশোরীকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হুগলির তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে এক সন্তানের জন্ম দেয় সে। হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার বিষয়টি জানার পর তারকেশ্বর থানার পুলিশকে অবহিত করেছিলেন। তদন্ত নেমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ নম্বর ধারার পাশাপাশি পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের ১০ নম্বর ধারায় জ়িরো এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের যুবকটিকে। জানা গিয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটিকে বিয়ে করেছিলেন জামালপুরের যুবকটি। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে নাবালিকাকে বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুক্রবার পকসো আদালতে ছুটি রয়েছে। তাই বর্ধমানের সিজেএম আদালতে হাজির করানো হয়েছিল ধৃতকে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। যদিও ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে পকসো আদালতে হাজির করানো হবে। নাবালিকার সন্তান প্রসবের ঘটনায় ধৃত ‘স্বামী’র মেডিক্যাল পরীক্ষা করানোর আবেদন করছে তদন্তকারীরা। পকসো আদালতেই তার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে বর্ধমান নিম্ন আদালত।