বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন ২ টিওবি উদ্বোধন ২০২৭ সালের হজযাত্রী পরিবহনে তিন এয়ারলাইন্সকে কোটা বরাদ্দ, যেসব শর্ত মানতে হবে বিশ্বমানের মানবসম্পদ গড়তে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ : (এনসিটিবি) দেশের ১১ জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আশঙ্কা: আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ মিয়া দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ করে সরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়: সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ সৌরবিদ্যুতের প্রসারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার: অর্থ মন্ত্রণালয় বিগত সরকারের শিক্ষাখাতে বরাদ্দে শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)
Notice :
'সাপ্তাহিক সূর্যের আলো' পত্রিকা সম্প্রতি চালু হতে যাচ্ছে অনলাইন সংস্করণ surjeralo.net। উক্ত পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে কাজ করতে ইচ্ছুক কিছু মেধাবী, সাহসী ও উদ্যোমী সংবাদকর্মী আবশ্যক। বিস্তারিত - ০১৭৫৪-২৪১৩৮৮, ০১৭৬৭-৪১৫১৩১, ০১৭১২-৩০৩৪১৫।

সৌরবিদ্যুতের প্রসারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার: অর্থ মন্ত্রণালয়

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রসারে সরকারি-বেসরকারি তিন প্রতিষ্ঠানকে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার। প্রতিষ্ঠানগুলো এই ঋণ থেকে বিভিন্ন গ্রাহকদের ঋণ দিবে। যার সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো-ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল), বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০০ কোটি টাকা করে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, এই ১৫০০ কোটি টাকার ঋণের মধ্যে ১০০০ কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মাইক্রো-স্মল-মিডিয়াম (এমএসএমই) খাতের জন্য সংরক্ষিত থোক বরাদ্দ থেকে পুনর্বিন্যাস করা হবে। অবশিষ্ট ৫০০ কোটি টাকা পরিচালন ঋণ থেকে সংস্থান করা হবে। সরকারি পরিপত্রে এই বিশেষ তহবিল গঠন ও ঋণ প্রদানের পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ ও লক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির উচ্চমাত্রার ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ বেড়েছে এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৫-২০৩০) অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে এ উদ্যোগ। এছাড়া পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে শিল্প, প্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালি পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণ করা সরকারের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি বলেও উল্লেখ করা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি স্থাপন অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় এতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সহজ শর্তে, স্বল্প সুদে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দেওয়া এই ঋণের ব্যবহার ও নীতিমালা কিছু দিক-নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকার অংশগ্রহণকারী তিনটি প্রতিষ্ঠানকে যে ঋণ দিচ্ছে তার বার্ষিক সুদ হার হবে মাত্র ০.৫ শতাংশ হারে। আর ঋণের মেয়াদ হবে ১০ বছর, যার মধ্যে ১ বছরের গ্রেস পিরিয়ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধাভোগী বা গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ বার্ষিক ৬ শতাংশ হারে এই ঋণ বিতরণ করবে। এই হারের মধ্যেই যাবতীয় ফি ও চার্জযুক্ত থাকবে। এই তহবিলের অর্থ সরাসরি বা সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কেবল নির্দিষ্ট কিছু নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি স্থাপন ও আধুনিকায়নে ব্যবহার করা যাবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও নেট মিটারিং সংযোগ; সোলার হোম সিস্টেম এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা; সৌরচালিত সেচপাম্প; সংশ্লিষ্ট ইনভার্টার, ডিজিটাল মিটার এবং ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থা। ঋণের ক্ষেত্রে কিছু বিধি নিষেধও দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, ঋণের অর্থ কোনোভাবেই পুরনো ঋণ পরিশোধ, শেয়ার বা জমি ক্রয়, ব্যক্তিগত ভোগ কিংবা প্রশাসনিক ব্যয়ে ব্যবহার করা যাবে না। সুবিধাভোগীর অনাদায়ীজনিত ঝুঁকি সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে। পৃথক ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, অর্থ বিভাগে প্রতি তিন মাস পর পর অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল এবং বার্ষিক স্বাধীন বহির নিরীক্ষা (অডিট) সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
add
add