শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline :
সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও জীবদ্দশায় তা ভোগদখল করেত পারেব বাবা-মা : আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান জাতি, ধর্ম এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’ : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিগত দিনের মতো অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত চামড়া শিল্পের উন্নয়নে ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো: জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি অধ্যাপক ডা. এম. ফখরুল ইসলাম সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান, বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ব্রুনাই দারুসসালামে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরো কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে,ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য সবুজ ভবন ও জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এখন সময়ের দাবি: গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের
Notice :
'সাপ্তাহিক সূর্যের আলো' পত্রিকা সম্প্রতি চালু হতে যাচ্ছে অনলাইন সংস্করণ surjeralo.net। উক্ত পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে কাজ করতে ইচ্ছুক কিছু মেধাবী, সাহসী ও উদ্যোমী সংবাদকর্মী আবশ্যক। বিস্তারিত - ০১৭৫৪-২৪১৩৮৮, ০১৭৬৭-৪১৫১৩১, ০১৭১২-৩০৩৪১৫।

চামড়া শিল্পের উন্নয়নে ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

Reporter Name / ৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: রপ্তানি বৃদ্ধি, পরিবেশগত মানদণ্ড প্রতিপালন জোরদার এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ২ হাজার কোটি টাকার একটি প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে গঠিত এই স্কিমের মাধ্যমে চামড়া শিল্পকে টেকসই, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে পরিণত করতে সহায়তা দেওয়া হবে।এই স্কিমের আওতায় কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো যেমন-ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি), স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), ডাম্পিং ইয়ার্ড এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনে অর্থায়ন করা হবে।
এছাড়া লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ অর্জনের ব্যয়, বিদ্যমান ট্যানারি আধুনিকীকরণ এবং চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিক, আনুষঙ্গিক উপকরণ ও অন্যান্য সহায়ক পণ্যের দেশীয় উৎপাদনেও এ তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হবে। স্কিমের আওতায় ঋণগ্রহীতারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন (রিফাইন্যান্স) সুবিধা দেবে। রিভলভিং ভিত্তিতে তিন বছর মেয়াদে এই তহবিল পরিচালিত হবে। নতুন কারখানা নির্মাণে সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে দুই বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। বিদ্যমান কারখানা আধুনিকীকরণে সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। কার্যকর মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণের মেয়াদ হবে এক বছর, যা সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে। বাংলাদেশের সব তফসিলি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের সঙ্গে চুক্তি সাপেক্ষে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে। স্কিমের আওতায় নতুন চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা, নতুন চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন অবকাঠামোর জন্য ২০ কোটি টাকা, বিদ্যমান স্থাপনা আধুনিকীকরণের জন্য ১০ কোটি টাকা এবং সহায়ক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যকর মূলধনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে। টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে স্কিমের আওতায় বেশ কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ অর্জন করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত ঋণগ্রহীতারা এই স্কিমের আওতায় অর্থায়নের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। এছাড়া, একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) এবং গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও এই স্কিমের সুবিধা পাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
add
add