বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ: হাইকোর্ট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস: আইএমএফ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৯৩ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে সরকারি ও বিরোধীদলকে একসাথে কাজ করর আহ্বান: রাষ্ট্রপতির সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে পি. কে. ইউনিয়ন ক্লাবের ৩ বছর মেয়াদি কমিটি গঠন উপলক্ষে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে লস অ্যান্ড ড্যামেজে জোরালো পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ : পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার বেশি থাকা হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ৭৭টি: বাংলাদেশ ব্যাংক
Notice :
'সাপ্তাহিক সূর্যের আলো' পত্রিকা সম্প্রতি চালু হতে যাচ্ছে অনলাইন সংস্করণ surjeralo.net। উক্ত পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে কাজ করতে ইচ্ছুক কিছু মেধাবী, সাহসী ও উদ্যোমী সংবাদকর্মী আবশ্যক। বিস্তারিত - ০১৭৫৪-২৪১৩৮৮, ০১৭৬৭-৪১৫১৩১, ০১৭১২-৩০৩৪১৫।

‘গু/প্তা, জয়সবালেরা না-থাকলে উত্তর কলকাতার ভদ্রলোক আর বনেদি বাঙালির অস্তিত্ব থাকত না’: শমীক ভট্টাচার্য

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: বৌবাজারের শতদল সঙ্ঘের খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে যান শমীক ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী তাপস রায়, উত্তর কলকাতার বিজেপি সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। শমীক জানান, এ বার অন্য রকম পুজো হবে, কলকাতায় যাতে ‘পুজো করার মতো পরিস্থিতি’ থাকে তার জন্য ‘সবাইকে সংঘবদ্ধ’ থাকার নিদান দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেই প্রসঙ্গেই মন্তব্য করলেন, গুপ্তা বা জয়সবালের মতো অবাঙালি সম্প্রদায় পাশে না-থাকলে উত্তর কলকাতায় ভদ্রলোক, বনেদি বাঙালির অস্তিত্ব থাকত না। শমীকের এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে রয়েছে ১৯৪৬ সালের দাঙ্গা। শমীকের কথা ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এর পিছনে ‘হিন্দি বলয়ের রাজনৈতিক প্রভাব’ দেখছে তৃণমূল। কংগ্রেস বলছে, পুরসভার ভোট সামনে, তাই পুজোর সময় কৌশল করেই ভোটারদের মনে বিভাজনের বীজ পোঁতার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। শমীকের মন্তব্যের নিন্দা করছে সিপিএম-ও। রবিবার মধ্য কলকাতার বৌবাজারে শতদল সঙ্ঘের দুর্গোৎসবের খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন শমীক। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, উত্তর কলকাতার বিজেপি সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। বক্তৃতা করতে উঠে রাজ্যসভার সাংসদ তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি দাবি করেন, এ বার অন্য রকম দুর্গাপুজো দেখবে পশ্চিমবঙ্গ। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে ‘‘সরকার নিয়ন্ত্রণ করে দিত কবে বিসর্জন হবে। নির্ঘণ্টও তৈরি করে দিত।’’ বলতে বলতে স্বাধীনতা ও দেশভাগ-পূর্ববর্তী দাঙ্গার সময়ে পিছিয়ে যান শমীক। বলেন, ‘‘উত্তর কলকাতায় দাঁড়িয়ে যে কথাটা না-বললেই নয়, যদি গুপ্তা, জয়সবালেরা না-থাকতেন, তাঁরা যদি নিজেদের সম্পূর্ণ সম্পদ উজাড় করে তলোয়ার তৈরি করবার জন্য লোহা না-দিতেন, আজকের আমরা এই উত্তর কলকাতার ভদ্র লোকজন, বনেদি বাঙালি যাঁরা আছি, তাঁদের অস্তিত্ব থাকত না। তাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সংঘবদ্ধ ভাবে তাঁরা থেকেছেন। কলকাতাকে চিনতে হলে এখানে (উত্তর কলকাতায়) আসতে হবে।’’ শমীকের বক্তব্যে ‘বাঙালির অপমান’ দেখছেন তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ। কুণালের কথায়, ‘‘বাঙালির ঐতিহ্য, স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। বাঙালি তার নিজস্ব সত্তা, নিজস্ব পরিচয়ে উজ্জ্বল। কিন্তু তাঁরা (গুপ্তা, জয়সবাল) পাশে না-থাকলে বাঙালি থাকত না, এমন মন্তব্য আশা করিনি।’’ কংগ্রেসের মতে, এই কথার পিছনে ভোট-রাজনীতি রয়েছে। সামনে পুরসভার ভোট। শমীকেরা ‘সুকৌশলে’ ভাগাভাগির কথা বলে ভোট টানতে চাইছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘‘বিজেপি জেনেবুঝে বাঙালির ঐতিহ্য ভেঙেচুরে টুকরো টুকরো করতে চাইছে। বাংলাভাগ রুখতে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাস্তায় নেমেছিলেন। কলকাতা পুরসভার নির্বাচনের আগে ওঁরা বিভেদের বীজ পুঁতে দিতে চাইছেন। আমি জানি না, কোন নথির উপর দাঁড়িয়ে এই কথাগুলো বলা হচ্ছে। কিন্তু এই কথাবার্তা কলকাতার ঐতিহ্য নষ্ট করবে।’’ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী আবার বিজেপির সঙ্গে কংগ্রেসকেও নিশানা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এখন যে যা বলছেন, তার সঙ্গে ইতিহাসের তেমন সম্পর্ক থাকছে না। বাংলা গোটা ভারতে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা রাজ্য ছিল বুঝেই ব্রিটিশেরা ভাগাভাগির চক্রান্ত করেছিল। ১৯০৫ সালে সেই চেষ্টা রুখে দিয়েছিল মানুষ। কিন্তু ১৯৪৭-এ তারা পারল কেন? ছক! মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন, তাঁদের বিভাজিত করার ছক ব্রিটিশের সঙ্গে সঙ্গে আরও কারা করেছিল, বুঝতে হবে। সেই সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বা হিন্দু মহাসভার ভূমিকা নগন্য। কিন্তু এটা ঠিক যে, কংগ্রেস নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষমতার ভাগাভাগিতে সমর্থন করে গিয়েছেন। তাঁরা চেয়েছেন বাংলাটা ভাগ হোক।’’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
add
add